পোস্টগুলি

১৪,৫০০টি যুদ্ধে ৩.৫ বিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়েছে!

ছবি
  মোহাম্মদ সানাউল হক : যুদ্ধ হলো রাজ্য, সরকার, সমাজ বা আধাসামরিক বাহিনী যেমন ভাড়াটে সৈন্য, বিদ্রোহী এবং যে কোনো প্রকারের সামরিক বাহিনীর মধ্যে একটি তীব্র সশস্ত্র সংঘর্ষ। এক্ষেত্রে সাধারণত নিয়মিত বা অনিয়মিত সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের ফলস্বরুপ চরম হিংস্রতা, আগ্রাসন, ধ্বংসলীলা এবং বহুসংখ্যক মৃত্যু দেখা যায়। অন্যদিকে, যুদ্ধবিগ্রহ বলতে যুদ্ধের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলিকে বা যুদ্ধ সম্পর্কিত ক্রিয়াকলাপ বা বিভিন্ন প্রকারের যুদ্ধকে বোঝানো হয়ে থাকে। কোনো যুদ্ধ পূর্ণভাবে বৈধ সামরিক লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও হতে পারে এবং এর ফলে প্রচুর অসামরিক এবং সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। যুদ্ধবিদ্যাকে কখনও কখনও পোলেমোলজি বলা হয়, গ্রীক পোলেমোস থেকে যার অর্থ "যুদ্ধ", এবং-লজি, যার অর্থ "অধ্যয়ন"। যদিও যুদ্ধবিশারদরা যুদ্ধকে মানব প্রবৃত্তির সার্বজনীন এবং আদিম দিক হিসাবে দেখেন,কিছু মানুষ একে নির্দিষ্ট সামাজিক-সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক বা পরিবেশগত পরিস্থিতির ফলাফল বলে মনে করেন। প্রাগৈতিহাসিক যুদ্ধের প্রাচীনতম প্রমাণটি হলো জেবেল সাহাবাতে অবস্থিত একটি মেসোলিথিক কবরস্থান, যা আনুমানিক প্রা...

কেমন ছিলো ২০০১–২০০২ ভারত–পাকিস্তান সংঘর্ষ

ছবি
২০০১–২০০২ ভারত–পাকিস্তান সংঘর্ষ ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি সামরিক অচলাবস্থা, যার ফলে কাশ্মীর অঞ্চলে সীমান্তের উভয়দিকে ও নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর সৈন্য-সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ১৯৯৮ সালের দিকে উভয় দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের সফল বিস্ফোরণের পরে এটি ছিল ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয় বড় সামরিক অচলাবস্থা; প্রথমটি ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধ। ২০০১ খ্রিস্টাব্দের ১৩ ডিসেম্বর নতুন দিল্লিতে ভারতীয় সংসদে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় ভারত সামরিক পদক্ষপের সূচনা করে। ১০১১ভারত দাবি করেছিল যে, এ আক্রমণ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে লড়াইরত দুটি পাকিস্তান–ভিত্তিক গোষ্ঠী দ্বারা পরিচালিত হয়: লস্কর-ই-তৈয়বা ও জইশে মুহাম্মদ এবং উভয়ই পাকিস্তানের আইএসআই দ্বারা সমর্থিত ছিল বলে ভারত অভিযোগ করে।তবে পাকিস্তান অভিযোগ অস্বীকার করে। জম্মু এবং কাশ্মীর রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ ভারতকে পাকিস্তানের সীমান্তে যুদ্ধ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।  বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সংঘাতকে সম্ভাবনাময় পারমাণবিক যুদ্ধের প্রথম ধাপ হিসেবে উল্লেখ করে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মধ্যস্থতার পর উত্তেজনা হ্রাস পা...

পারমাণবিক বোমের ভয়াবহতা!

ছবি
পারমাণবিক অস্ত্র,  হল একটি বিস্ফোরণীয় যন্ত্র যা পরমাণু প্রতিক্রিয়াসমূহ থেকে তার ধ্বংসকারী শক্তি উৎপন্ন করে, ফিশন (Fission) এবং ফিউশন(Fusion) প্রতিক্রিয়াসমূহের একটি সমন্বয় ( তাপ-পারমাণবিক অস্ত্র ) তৈরি করে যা একটি পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম। এই ধরনের দুটি বোমাই বস্তুর সাপেক্ষে বেশি পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে। ফিশন (পারমাণবিক অস্ত্র) বোমার প্রথম পরীক্ষার ফলে প্রায় ২০,০০০ টন TNT (৮৪ TJ) এর সমতুল্য পরিমাণ শক্তি উৎপাদন হয়েছিল। প্রথম থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র (হাইড্রোজেন বোম) পরীক্ষার ফলে প্রায় ১০ মিলিয়ন টন TNT এর সমতুল্য পরিমাণ শক্তি (৪২ PJ) উৎপন্ন হয়েছিল। পারমাণবিক বোমা ১০ টন থেকে শুরু হয়েছিল (W54) এবং ৫০ মেগাটন পর্যন্ত। একটি তাপ-পারমাণবিক বোমা কেবলমাত্র ৬০০ পাউন্ড (২৭০ কেজি) ওজন এর মধ্যে হয় তাহলে তা প্রায় ১.২ মেগাটন TNT এর সমতুল্য পরিমাণ শক্তি (৫.০ PJ) উৎপাদন করতে পারে। একটি সাধারণ পারমাণবিক বোমা ব্যবহার করে ব্লাস্ট, আগুন এবং রেডিয়েশনের মাধ্যমে একটি পুরো শহরকে ধ্বংস করা যেতে পারে। যদিও এই ধরনের বোমা গুলো অত্যধিক ধংসাত্নক উপযোগী বিষয় হিসাবে নিউক্লিয়ার ডিভাইসগুলির প্রসারণ...

পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রসমূহের তালিকা

ছবি
বিশ্বের  মোট ৮টি  সার্বভৌম রাষ্ট্র  প্রকাশ্যে  পারমাণবিক অস্ত্রের  সফল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।  পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ চুক্তির  (এনপিটি) শর্ত অনুসারে মোট পাঁচটি  রাষ্ট্র   পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র  (NWS) হিসাবে বিবেচিত হয়। সেগুলি হলো:  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ,  রাশিয়া  (যা  সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের  উত্তরসূরি),  যুক্তরাজ্য ,  ফ্রান্স  এবং  চীন । এদের মধ্যে তিনটি  ন্যাটো সদস্য : যুক্তরাজ্য,  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ও ফ্রান্সকে কখনও কখনও P3 বলা হয়।  বিশ্বের  পারমাণবিক অস্ত্রধারী  রাষ্ট্রসমূহ:     এনপিটি  কর্তৃক নির্ধারিত পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র ( মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ,  যুক্তরাজ্য ,  চীন ,  ফ্রান্স ,  রাশিয়া )    অন্যান্য পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র ( ভারত ,  উত্তর কোরিয়া  ও  পাকিস্তান )    পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হয় ( ইসরায়েল )     ন্যাটো  সদস্য...

আমেরিকার 10টি সবচেয়ে অসাস্থ্যকর রাজ্য

ছবি
এই রাজ্যগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থূলতা মহামারীর কেন্দ্রে রয়েছে। ওজেম্পিক এবং ওয়েগোভির মতো ওষুধের উত্থান আমেরিকার স্থূলতার সাথে লড়াইয়ে একটি নতুন গতিশীলতা এনেছে, দেশটি বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা স্বাস্থ্য মহামারীতে একটি টার্নিং পয়েন্টে রয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যেমনটি দাঁড়িয়েছে, 5 জনের মধ্যে 2 আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্ক স্থূল - রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র অনুসারে - 30 বা তার বেশি বডি মাস ইনডেক্স রয়েছে বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়।  স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে হার্ট অ্যাটাক এবং ক্যান্সার পর্যন্ত - এই অবস্থাটি গুরুতর চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যাগুলির সাথে যুক্ত।  এটি দেশটির স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় বছরে প্রায় 173 বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে বলে অনুমান করা হয়েছে। 2023-এর জন্য উপলভ্য তথ্য সহ ঊনত্রিশটি রাজ্যে 30% বা তার বেশি বয়স-সামঞ্জস্যপূর্ণ স্থূলতার হার পোস্ট করা হয়েছে, যেখানে তিনটি কমপক্ষে 40%-এর থ্রেশহোল্ডে পৌঁছেছে। ওজেম্পিক এবং ওয়েগোভির মতো ওষুধের উত্থান আমেরিকার স্থূলতার সাথে লড়াইয়ে একটি নতুন গতিশীলতা এনেছে, দেশটি বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা স্বাস্থ্য...

আবারো নিষেধাজ্ঞা দিলো আমেরিকা

ছবি
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ‘বাধাগ্রস্ত’ করে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িতদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বন্ধ করতে নতুন যে ভিসানীতি ঘোষণা করা হয়েছিল, তার প্রয়োগ শুরু করেছে আমেরিকান সরকার।  শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীরা রয়েছেন।  এসব ব্যক্তির পাশাপাশি তাদের পরিবারের নিকটতম সদস্যরাও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ‘অযোগ্য’ বিবেচিত হতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও বাবা-মাও রয়েছেন এই নিকটাত্মীয়দের তালিকায়।  তবে, কতজন ব্যক্তি বা কাদের বিষয়ে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, বিবৃতিতে তা খোলাসা করেননি মুখপাত্র।  ম্যাথিউ মিলার বলেন, “বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন এবং বিশ্বব্যাপী যারা গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে পারেন, আমাদের আজকের এই পদক্ষেপ তাদের সহযোগিতার অঙ্গীকারের অংশ।”  যারা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধেও ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।  যুক্...

তিসির তেলের ৬টি উপকারিতা ,এটি কীভাবে ব্যবহার করবেন

ছবি
ফ্ল্যাক্সসিড বা তিসির তেলে ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি । এতে রক্তচাপ হ্রাস এবং নিয়মিততার উন্নতির মতো বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা দেখানো হয়েছে। দিনে মাত্র 1 বা 2 পরিবেশন উপকারী হতে পারে। শণের বীজে অনেক স্বাস্থ্য সুবিধার জন্য পরিচিত, যার মধ্যে রয়েছে প্রোটিন এবং ফাইবারের একটি আন্তরিক ডোজ প্রদান, ক্ষুধা হ্রাস করা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা। তিসির বীজে নাক্ষত্রিক পুষ্টির প্রোফাইলের পরিপ্রেক্ষিতে, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে ফ্ল্যাক্সসিড তেলও একই রকম স্বাস্থ্য সুবিধার সাথে জ্যাম-প্যাকড। ফ্ল্যাক্সসিড অয়েল, ফ্ল্যাক্স অয়েল বা তিসির তেল নামেও পরিচিত, শণের বীজ থেকে তৈরি করা হয় যেগুলিকে মাটি করা হয় এবং তাদের প্রাকৃতিক তেল ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এই স্বাস্থ্য-উন্নয়নকারী তেলের রান্না থেকে শুরু করে ত্বকের যত্ন পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার রয়েছে। এই নিবন্ধটি ফ্ল্যাক্সসিড তেলের কিছু শীর্ষ সুবিধা এবং এটি ব্যবহার করার কয়েকটি সহজ উপায় অন্বেষণ করবে। অনেকটা শণের বীজের মতো, ফ্ল্যাক্সসিড তেল হার্ট-স্বাস্থ্যকর ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিডের সাথে লোড হয়। আসলে, এক টেবিল চামচ (15 মিলি)...